বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদসহ শতাধিক রিমান্ডে

আমাদের প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০১৮ ২১:৩৪

বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদসহ শতাধিক রিমান্ডে

রাজধানী ঢাকার ৪০টি থানায় দায়ের হওয়া নাশকতার মামলায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশুবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতাকর্মীতে বিভিন্ন মেয়াদের  রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রায় আড়াইশ কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের একাধিক বিচারক এ আদেশ  দেন।

আদালতের একাধিক সাধারণ নিবন্ধন সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন থানার মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে প্রায় সাড়ে ৩০০ আসামিকে হাজির করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে ও কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন পুলিশ সদস্যরা। এরপর বেলা সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আসামিদের রিমান্ড ও জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিভিন্ন আদালতের বিচারক রিমান্ড ও কারাগারে পাঠানোর ওই আদেশ দেন। 

এর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীসহ ১০ জনের রাজধানীর পল্টন থানার একটি মামলায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ ছাড়া বাকি আসামিদের পুলিশ ফরোয়ার্ডিং (আদালতে পাঠানোর আবেদন)-এ বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্রে জানা যায়, রিমান্ডে ও কারাগারে যাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাজধানীর কোতোয়ালি থানার আটজন, বংশাল থানার তিনজন, মতিঝিল থানার ১৬ জন, শাহবাগ থানার ১৬ জন, পল্টন থানার ৩৮ জন, রামপুরা থানার আটজন, ধানমণ্ডি থানার ১০ জন, হাজারীবাগ থানার পাঁচজন, শাহবাগ থানার ১০ জন, রমনা থানার সাতজন, মোহাম্মাদপুর থানার ১৬ জন, মিরপুর থানার দুজন, শেরেবাংলানগর থানার ১৩ জন, তেজগাঁও থানার ৪১ জন, হাতিরঝিল থানার ২৩ জন, উত্তরা পূর্ব থানার চারজন, উত্তরা পশ্চিম থানার পাঁচজন, ওয়ারী থানার ১২ জন, কামরাঙ্গীরচর থানার সাতজন, শ্যামপুর থানার ১৩ জন, কদমতলী থানার পাঁচজন, যাত্রাবাড়ী থানার ১৭ জন, ডেমরা থানার সাতজন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ২৭ জন, খিলগাঁও থানার একজন, লালবাগ থানার ১১ জন, চকবাজার থানার আটজন, কাফরুল, পল্লবী, সবুজবাগ, দক্ষিণখান ও ক্যান্টনমেন্ট থানার দুজন করে, গুলশান, ভাটারা থানার একজন, নিউমার্কেট থানার নয়জন এবং দারুস সালাম থানার পাঁচজন আসামি রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য থানায় আরো আসামি থাকলেও  সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিভিন্ন মামলার এজাহার ও ফরোয়ার্ডিং থেকে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে আজ বুধবার দুপুর আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তবে অধিকাংশ আসামিকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ থেকে এবং সমাবেশে আসার পথে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তাদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের ফটক থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে বিভিন্ন নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন...