বেড়েছে মুরগির দাম

আমাদের প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০২:৫৮

বেড়েছে মুরগির দাম

কুরবানির ঈদের পর রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল নাগালের মধ্যে। গত সপ্তাহেও প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু আজ শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১০ টাকা। শুক্রবার রাজধানীর মেরাদিয়া, রামপুরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রামপুরা বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী সেলিম বলেন, কুরবানির ঈদের আগেও প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু ঈদের পর মুরগির চাহিদা কম হওয়ায় ব্রয়লার, দেশি, লাল মুরগি ও পাকিস্তানি ককের দাম কমে যায়।

তিনি বলেন, এ সময় বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দামও সামান্য কম দেখা গেছে। গুরুর মাংস প্রতি কেজি ৪৮০ টাকায় এবং খাসির মাংস ৭৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এদিকে, বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সবজি বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচ, ধনেপাতার দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ প্রকার ভেদে ৮০ থেকে ১২০টাকা ও ধনেপাতা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

অন্যদিকে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা নতুন শিম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, টমেটো ৫০-৮০ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুল কপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পটল ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, ঝিঙা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৩০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, কচু মুখী ৫০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রকারভেদে প্রতিটি ৩৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পুঁইশাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, লাউয়ের শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লেবুর হালি ২০-২৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল কেজি প্রতি ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম অয়েল প্রতি কেজি ৭৪-৭৫ টাকা, পাম অয়েল সুপার ৭৫ থেকে ৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন...