মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের শেয়ারে তথ্য বিভ্রাট

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০১৮ ১২:২৮

মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের শেয়ারে তথ্য বিভ্রাট

এক মাসেই মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের প্রায় ৩৬ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। এমন খবরে ৩ দিনেই প্রায় ৩০ শতাংশ দর বাড়ে কোম্পানিটির শেয়ারের। যদিও দুই স্টক এক্সচেঞ্জের হিসাব বলেছে, ওই সময়ে মাত্র সাড়ে ৩ শতাংশ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তাহলে কীভাবে ৩৬ শতাংশ শেয়ার কিনেছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা? বিশ্লেষকরা বলছেন, তথ্যের এই বিভ্রাটের জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড। ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন সাড়ে ২২ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ২৫ লাখ শেয়ারে বিভক্ত।

ডিএসইর তথ্য বলেছে, গেল আগস্টেও এ শেয়ারের ৪৯ দশমিক ৮১ শতাংশ ছিলো উদ্যোক্তা-পরিচালকদের মালিকানায়। বাকি ৫০ দশমিক ১৯ শতাংশ ছিলো সাধারণ বিনিয়োগকারিদের।

কিন্তু সেপ্টেম্বরই শেয়ারের মালিকানায় আসে ব্যাপক পরিবর্তন। এ সময় প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের মালিকানায় দেখানো হয় ৭৮ লাখ ৭৫ হাজারের মতো শেয়ার। মোট শেয়ারের যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। অথচ ওই সময় দুই স্টক এক্সচেঞ্জে হাত বদল হয়েছে, কোম্পানিটির ৮ লাখের মতো শেয়ার। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, বাকি শেয়ারগুলো কীভাবে গেল প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হিসাবে।

কোম্পানিটির বরাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বলছে, এতোদিন প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের মালিকানা একসাথে দেখানো হয়েছে। যদিও নিয়মানুযায়ী তা আলাদাভাবে দেখানোর কথা। তবে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, মেঘনা সিমেন্টের শেয়ার ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

কোম্পানিটির শেয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশ বেড়ে যাওয়ার খবরে, মাত্র তিনদিনে দর বাড়ে ৩০ শতাংশের মতো। বাড়তি এ মূল্য বিক্রি হয় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শেয়ার।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরণের তথ্য দিয়ে অন্যায় করেছে মেঘনা সিমেন্ট। নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

তাদের মতে, এমন তথ্য বিভ্রাট পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করবে।

আরও পড়ুন...