২৭ মার্চ ঢাকায় শুরু হচ্ছে থাই বাণিজ্য মেলা

news-details
অর্থনীতি

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

আগামী ২৭ মার্চ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাও হোটেলে শুরু হচ্ছে ১৮তম থাই বাণিজ্য মেলা। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে থাইল্যান্ড সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘টপ থাই ব্রান্ডস’ শীর্ষক এই মেলার আয়োজন করছে। বাণিজ্য মেলার পাশাপাশি একই সঙ্গে থাই খাদ্য উৎসবও অনুণ্ঠিত হবে। ২৭ মার্চ সকালে এ মেলার উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সি।

এ উপলক্ষ্যে রবিবার সোনারগাও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন থাই দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর সোয়েবসাক ডেংবুনরুয়েং এবং সোনারগাও হোটেলের সহকারী পরিচালক কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন।

সোয়েবসাক ডেংবুনরুয়েং সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২৭ মার্চ সকাল ১১টায় সোনাগাও হোটেলের বলরুমে থাই ট্রেড ফেয়ার শুরু হবে। চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। পরবর্তীতে প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে।

এবারের মেলায় মোট ৭৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এরমধ্যে ৬০টি প্রতিষ্ঠান থাইল্যান্ডের এবং বাকী ১৭টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের। বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান সমুহ থাইল্যান্ড থেকে পণ্য আমদানি করছে বা তাদের এদেশে থাই পণ্যের এজেন্সিশিপ রয়েছে।

মেলায় প্রদর্শিত হতে যাওয়া পণ্য ও সেবা সমুহ হলো- সাস্থ্য সেবা, প্রসাধনী, সৌন্দর্য ও সুস্থতা পণ্য, বেডিং, স্পা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, স্টেশনারি, গৃহস্থালী পণ্য, তাজা ফল, খাদ্যদ্রব্য, টেক্সটাইল এবং ফেব্রিকস, অন্তর্বাস, হ্যান্ডব্যাগ, অলংকার, কনফেকশনারি, সজ্জা সংক্রান্ত পণ্য এবং শিশু পণ্য।

থাই খাদ্য উৎসব প্রসঙ্গে কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মেলার পাশাপাশি থাই বাণিজ্য দফতরের সহযোগিতায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাও হোটেল আয়োজন করছে যাচ্ছে থাই খাদ্য উৎসব। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে থাই খাদ্য উৎসব। উৎসবে যে কেউ অর্থের বিনিময়ে থাই খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন।

এছাড়াও মেলা চলাকালে অনুষ্ঠিত হবে থাই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। থাই শিল্পীরা মেলায় নৃত্য পরিবেশন করবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে থাই দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে থাই বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হলেও দুই দেশের বাণিজ্য এখনও কাংখিত পর্যায়ে পৌছায়নি। বাংলাদেশে থাই বিনিয়োগও অনেক কম। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এবারের মেলায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

তবে বাণিজ্য বৃদ্ধি না পেলেও থাইল্যান্ডে মেডিক্যাল ট্যুরিজম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা খরচ অনেক কম এবং নির্ভরযোগ্য।

 

You can share this post on
Facebook

0 Comments

If you want to comment please Login. If you are not registered then please Register First