ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ঘোষনা

news-details
রাজনীতি

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অনুমোদনক্রমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেন শেখ হাসিনা।

আগামী দুই বছরের জন্য এই কমিটি অনুমোদন দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটিও অনুমোদন দেয়া হয়। সভানেত্রীর পক্ষে কমিটি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান সঞ্জিত চন্দ্র দাস। তার রানিং মেট হিসেবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাদ্দাম হোসাইন।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মো. ইব্রাহিম; সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণে মেহেদী হাসান সভাপতি ও মো. জোবায়ের আহমেদ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী একই বিভাগের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি মাদারীপুরে।

এদিকে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ৩৭তম ব্যাচের। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। আর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম ৩৯ ব্যাচের। তার পঞ্চগড়ে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন ৬১ জন।

তারা হলেন, আল নাহিয়ান খান জয়,তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন,সোহান খান, আরেফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান, বরকত হোসেন হাওলাদার, আবু সালমান প্রধান শাওন, ইয়াজ আল রিয়াদ,শওক্তুজ্জামান সৈকত, এম সাজ্জাদ হোসেন, ইমরুল হাসান নিশু, শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ, সরকার জহির রায়হান, ফুয়াদ রহমান খান, সাদিক খান, ইসরাত কাসফিয়া ইরা, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, এস এম তৌফিকুল হাসান সাগর, মো: তৌহিদুর রহমান হিমেল, মাহমুদুল হাসান, নাসির উদ্দিন, মনজুর মোর্সেদ অসীম, সাইফুল ইসলাম জনি, শহিদুল ইসলাম, সুজন ভূঁইয়া, ফরহাদ হোসেন তপু, তৌহিদুর রহমান পরশ, আপেল মাহমুদ, কামাল খান, আলিমুল হক, আওলাদ খান, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, আসাদুজ্জামান সোহেল, খালিদ হাসান নয়ন, জাহাঙ্গীর মঞ্জিল পিপাস, আবু সাঈদ (সাস্ট) আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নুরে-আলম আশিক, তানজিদুল ইসলাম শিমুল, রুহল আমিন, ইসমাইল হোসেন তপু, মহিউদ্দিন শিকদার লিপু, নজরুল ইসলাম, সোহানী হাসান তিথি, মাহমুদুল হাসান তুষার, এস এম হাসান আতিক, সুরঞ্জন ঘোষ, মাজহারুল ইসলাম মিরাজ, জিয়ান আল রশিদ, হাফিজুর রহমান, আরিফুল ইসলাম আরিফ (জা.বি), রাকিব উদ্দিন, সোহেল রানা, আয়নাল সর্দার, নিশাত সাদিয়া খান মিলি মুনমুন নাহার বৌশাখী, আসীম কুমার বৈদ্য, তরিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সম্রাট।

 
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন ১১ জন।

তারা হলেন, লেখক ভট্টাচার্য, প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই-নোমান, মো: শাকিল ভূঁইয়া, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মোর্শেদুল হাসান রুপম, মাহাবুব খান, বেনজীর হোসেন নিশি, বেলালা হোসেন বিদ্যুৎ, তাহসান আহম্মেদ রাসেল।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন মোট ১১জন। তারা হলেন: মামুন বিন সাত্তার, সাজ্জাদ হোসেন, ফেরদৌস আলম, মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ, সাদ বিন কাদের, সোহানুর রহমান সোহান, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, নাজিম উদ্দিন, নাজমুল সিদ্দিকি নাজ, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সাবরিনা ইতি।

অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাকিব হোসেন। এই কমিটিতে রয়েছেন চারজন উপ-অর্থ বিষয়ক। এরা হচ্ছেন- মেহেদী হাসান, বোরহান উদ্দিন, তড়িৎ চৌধুরী ও মহসিন খন্দকার।

আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত। এই কমিটিতে রয়েছে চারজন উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক। এরা হচ্ছেন- মো; সুজন শেখ, শাহাদুল হাসান আল মুরাদ, বি এম শরিফুল ইসলাম সবুজ ও আপন দাস।

পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শামীম পারভেজ। এই কমিটিতে আছে তিনজন উপ-সম্পাদক। এরা হচ্ছেন কে এম রাসেল, মোস্তক আহম্মেদ সোহাগ ও বাদশা শাওন। স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন পুতুল চন্দ্র রায়। এই কমিটিতে রয়েছেন তিনজন উপ-স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক। এরা হচ্ছেন রোকনুজ্জামান রোকন, আব্দুল কাইউম হীরা, পলাশ কুমার দাস।

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আল-আমীন সিদ্দিক সুজন। তার সঙ্গে উপ -ক্রীড়া সম্পাদক পদে রয়েছেন আরও তিন জন। তারা হলেন, মেহেদি

বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পদক সাদুন মোস্তফার রঙ্গে উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক রয়েছেন আরও চার জন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিনুল হক চৌধুরী। যার কমিটিতে উপ-সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরও ৫ জন। পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন জাভেদ হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন উপ-সম্পাদক হিসেবে ৫ জন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মন। এই কমিটিতে উপ-সম্পাদক হয়েছেন আরও ৩জন। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিতে সম্পাদক হয়েছেন শাকিল আহমেদ জুয়েল। এই কমিটিতে উপ-সম্পাদক হয়ে আরও রয়েছেন ৫ জন।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন। তার সঙ্গে রয়েছেন ৪ জন উপ-সম্পাদক। গণশিক্ষা বিষয়ে সম্পাদক হয়েছেন আবদুল্লাহিল বারী। উপসম্পাদক রয়েছেন ৩ জন। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হয়েছেন ইমরান জমাদ্দার। সঙ্গে উপ-সম্পাদক রয়েছেন ৪ জন। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক।


 
সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ তালুকদার। সঙ্গে রয়েছেন ৩ উপসম্পাদক। প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হায়দার মোহাম্মদ জিতু। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপ-সম্পাদক।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ রণি। এছাড়া এই কমিটিতে উপ-সম্পাদক হয়েছেন ৪ জন। নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জুয়েল মোল্লা। তার সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপ-সম্পাদক। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসিফ ইকবাল অনিক। সঙ্গে রয়েছেন ৫ উপ-সম্পাদক।

আপ্যায়ন সম্পাদক হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ফাহাদ। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপ-সম্পাদক। মেহেদী হাসান তাপস পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব। সঙ্গে রয়েছেন চার উপ-সম্পাদক। মানব সম্পদ উন্নয়দ সম্পাদক হয়েছেন নাহিদ হাসান শাহিন। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপ-সম্পাদক। ছাত্র-বৃত্তি সম্পাদক হযেছেন আতাউল গনি কৌশিক। সঙ্গে রয়েছে ৪ উপ-সম্পাদক। কৃষি-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাকসুদুর রহমান মিঠু। সঙ্গে রয়েছেন উপ-সম্পাদক পদে আরও তিন জন। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন আরও চার জন। এতে সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ২৩ জন। কমিটিতে ১২ জন নির্বাহী সদস্যের নাম রাখা হয়েছে।

 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।