দাম কমছে নিত্যপণ্যের, স্বস্তিতে ক্রেতারা

news-details
অর্থনীতি

আমাদের প্রতিবেদক 

রাজধানীর পাইকারি বাজারে আরেক দফা কমেছে চালের দাম। নতুন চালের সরবরাহ বাড়লে চালের দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান পাইকাররা। কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে আদা, রসুন আর পেঁয়াজের। ছোলা আর চিনির দাম কমলেও, দর বেড়েছে দেশি মসুর ডালের। তবে, স্থিতিশীল রয়েছে সব ধরনের মসলা এবং ভোজ্যতেলের দর। 

 একের পর এক ট্রাক বোঝাই নতুন চাল আসছে রাজধানীর পাইকারি বাজারগুলোতে। থরে থরে বস্তা সাজাচ্ছেন দোকানিরা। তবে ক্রেতা না থাকায় এক প্রকার অলস সময় পার করছেন পাইকাররা। শোনালেন স্বস্তির খবর। নিন্মমুখী থাকা চালের দাম কমেছে আরেক দফা। সরবরাহ ভালো থাকায় দাম আরো কমার সম্ভাবনা আছে বলে জানান তারা। 

বিক্রেতারা বলেন, 'মিনিকেট ও বি আর ২৮ চাল কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা কমেছে। নতুন ধান যখন বাজারে আসবে তখন বোঝা যাবে ধানের যে দর পতন তা চালের বাজারে কতটুকু প্রভাব ফেলবে। ' 

স্বস্তির খবর আছে পেঁয়াজ আদা আর রসুনের বাজারেও। সবধরনের আদা রসুন পেঁয়াজের দর কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।

বিক্রেতারা বলেন, 'পেঁয়াজ কেজিতে ৪ থেকে ৫টাকা কমেছে। মাল বাংলাদেশে প্রচুর আছে। কোন ঘাটতি নাই। বাজার বাড়ার কোন সম্ভাবনা নাই।'  

দর কমেছে ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ ছোলা চিনি আর ভোজ্যতেল। বস্তাপ্রতি ১শ' ৫০ টাকা কমেছে চিনির। সরবরাহ ভালো থাকায় কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়।

বিক্রেতারা বলেন, 'চিনির দাম কমেছে। ডালের দাম অল্প বেড়েছে। এছাড়া অন্য পণ্যের দাম বাড়ার কোন কারণ নাই।' 

স্থিতিশীল মসলার বাজারে এলাচ মানভেদে প্রতিকেজি ১৮শ থেকে ২৫শ টাকা এবং জিরা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩শ ২০ টাকা থেকে ৩শ ৮০ টাকা কেজি।

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।