কারাগার বন্দিশালা নয়, সংশোধনাগার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

news-details
জাতীয়

আমাদের প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কারাগারকে আমরা বন্দিশালা হিসেবে দেখছি না, দেখছি সংশোধনাগার হিসাবে। কারাগারে বন্দিদের জন্য বাস্তবসম্মত বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নাস্তার মেন্যুতে পরিবতর্ন এসেছে।

কারাগারে কারাবন্দিদের চাহিদা অনুযায়ী ৩৮টি ইভেন্টে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এতে করে কারাবন্দিরা মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে না জড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ পাবে। 

রোববার সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নাস্তার নতুন এই মেন্যুর উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, কারাবন্দিদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে প্রিজন লিংক ‘স্বজন’ সার্ভিস। এর ফলে কারাবন্দিরা মোবাইলে তাদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। বন্দিরা কারাগারে মানসিক প্রশান্তি পেলে তাদের অপরাধ প্রবণতা কমবে। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসাবে টাংগাইল কারাগারে এ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সার্ভিস চালু করা হবে।

বাংলাদেশের কারাবন্দিরা কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে একই মেন্যুতে সকালের নাস্তা করত। সকালের খাবারের মেন্যু হিসাবে সাজাপ্রাপ্ত বন্দির জন্য বরাদ্দ ছিল ১১৬.৬৪ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি) ও ১৪.৫৮ গ্রাম গুড় এবং বিচারাধীন বন্দিদের জন্য ৮৭.৪৮ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি) ও ১৪.৫৮ গ্রাম গুড়।

অবশেষে বৃটিশ আমল থেকে কারাবন্দিদের জন্য বরাদ্দ করা সকালের নাস্তার এই মেন্যু পরিবর্তন হয়েছে। এতে যুক্ত হয়েছে মুখরোচক কিছু খাবার। নতুন মেন্যু অনুযায়ী একই খাবার পাবেন কারাবন্দিরা। সপ্তাহে ২দিন তারা পাবেন ভুনা খিচুড়ি, ৪দিন সবজি-রুটি, বাকি ১দিন হালুয়া-রুটি। রোববার সকাল থেকে এই মেন্যু কার্যকর হয়েছে। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আইজি (প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মোস্তফা কামাল পাশা, ডিআইজি (প্রিজন) টিপু সুলতান, ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমিন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।