পহেলা বৈশাখ উদযাপনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

news-details
জাতীয়

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।। 

পহেলা বৈশাখে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, নির্বিঘ্নে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। পহেলা বৈশাখ আমাদের সর্বজনীন একটি উৎসব। এই উৎসব যাতে দেশের মানুষ নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে, সেজন্য সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় করা হবে।

বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
 
এ সময় মন্ত্রী বলেন, সব অনুষ্ঠান স্থলে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়া হবে রাজধানী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও থাকবে নজরদারী। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাহিরের সব অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে।        

এ সময় মহাপুলিশ পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘পহেলা বৈশাখে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আছে কি না’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘না সে রকম কোন আশঙ্কা করছি না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হবে। রাজধানীকে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। গুরুত্বপূর্ন সড়ক, স্থাপনা ও অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে বসানো হবে সিসি ক্যামেরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বক্ষণ মনিটারিং করা হবে। সকল মদের বার বন্ধ থাকবে। রাজধানীর সড়কে চলাচলে থাকবে বিশেষ নির্দেশনা।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাহিরের সকল অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। হাতিরঝিল ও রমনা পার্কের লেকে নৌ বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারি বেসরকারি ভবনে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। কারাগার ও হাসপাতালে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাতে কেউ বাজে প্রচারণা করতে না পারে সেজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারী থাকবে। বনানীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের কাজে কোনো অবহেলা ছিল কি না’ এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন আগুন নির্বাপণ ও রেসকিউ করতে গিয়ে একজন ফায়ার সাভির্সের সদস্য এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ফায়ার সার্ভিসের কোন অবহেলা ছিল না। যানজট ঠেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর উৎসুক জনতার জন্য তাদের কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়েছে। কিছু মানুষ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের মারধরও করেছেন। এসব পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজ যাতে ব্যহত না হয় সেজন্য উৎসুক জনতাকে সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি। বনানীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর মন্ত্রিসভায় প্রধামন্ত্রীর অনুশাসন দেয়া বিষয়গুলোা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, অপরাধ করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।