নিত্যপণ্যে ভ্যাট আরোপ করলে ভোক্তাদের চাপ বাড়বে : ক্যাব

news-details
অর্থনীতি

আমাদের প্রতিবেদক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ভ্যাট আরোপ করলে ভোক্তাদের বাড়তি চাপে পড়তে হবে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্য ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়েছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ২০১২ সালের ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একক ১৫ শতাংশ কর হার ছাড়াও ৫, ৭.৫ এবং ১০ শতাংশ হারে করারোপের বিধান করা হয়েছে। এতে ক্রেতা-ভোক্তা বাড়তি কর পরিশোধে বাধ্য হবে। এ ছাড়া ভ্যাটের পরিধি বাড়ানোর কারণে বেশ কিছু পণ্য, যেমন নিত্য ব্যবহার্য ভোজ্যতেলের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে পণ্যমূল্য বাড়বে।

গোলাম রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের আমদানির ওপর আরোপিত (২০১৭) শুল্ক হার গড়ে ২৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ২০১৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর গড় আমদানি শুল্কহার ছিল ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর এই হার ছিল ১২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

ক্যাব সভাপতি বলেন, প্রত্যাশা ছিল বাজেটে শুল্কনীতি পর্যালোচনা করে ক্রমান্বয়ে আমদানি শুল্ক কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। কিন্তু তা করা হয়নি। বরং গুড়া দুধ ও চিনিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। গুড়া দুধের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব যথাযথ নয়। আশা করব সংসদে আলোচনার পর এ প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হবে।

ক্যাব সভাপতি আরও বলেন, সঞ্চয়পত্রের সুদ থেকে অর্জিত আয়ের ওপর আয়কর দ্বিগুণ করে সরকারের অবসরপ্রাপ্ত, বয়স্ক, মধ্যবিত্ত, গৃহহীনসহ নানাশ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষতির মধ্যে পড়বে।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।