ব্রেকিং নিউজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ সম্পাদককে বহিষ্কারের দাবি

news-details
রাজনীতি

আমাদের প্রতিবেদক

ছাত্রলীগের পদ হারানো দুই শীর্ষ নেতাকে টাকা দিয়ে পদ নেয়ার বিষয়ে অডিও ফাঁসে বিক্ষুব্ধ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। মিছিল ও সমাবেশ করে অবিলম্বে ছাত্রলীগের সম্পাদক রাকিবকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে ব্যবস্থা নিতে ভিসিকেও আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা।

রাজনীতির মাঠে সক্রিয় না থেকেও, কয়েক মাস আগে শোভন-রাব্বানীর হাত ধরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগে রবিউল ইসলাম পলাশ সভাপতি ও রাকিবুল ইসলাম রাকিব সম্পাদক পদ পান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় অর্থ দিয়ে পদ নেয়ার অভিযোগ ওঠে দুই নেতার বিরুদ্ধে। 

রাকিবের সঙ্গে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ফোনালাপ ফাঁস হলে বিষয়টি সবার কাছে আরও পরিস্কার হয়। এরপর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বঞ্চিত ও বিক্ষুব্ধ অংশ মিছিল-সমাবেশসহ দুই নেতাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে।

অভিযোগ উঠেছে, ৫শ' ৩৭ কোটি টাকার প্রকল্প, নিয়োগ ও ভর্তি বাণিজ্য জায়েজ করতে প্রকৃত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কেন্দ্রীয় নেতাদের অর্থ দিয়ে তাদের নেতা বানায়।  

এদিকে, ভিসির অফিস ঘেরাও করে অবিলম্বে রাকিবকে বহিস্কারের দাবি তোলেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাকিব।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বলেন, 'এ ধরণের কোন কথা আমি কারও সাথে বলিনি এবং এটা হতে পারে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের ভয়েস তো এখন নকল করাই যায়। তো সেভাবেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটা নকল করা হতে পারে।'

বিষয়টি প্রমাণিত হলে রাকিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ আসকারী। তিনি বলেন, 'এটা নিশ্চই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নজরে আছে এবং যে নতুন কমিটি এসেছে নিশ্চই তদন্ত সাপেক্ষে তারা ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে তো প্রসাশন এভাবে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না। তবে একজন ছাত্র হিসেবে কেউ যদি কোন দুর্নীতি বা অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাহলে নিশ্চই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে ব্যবস্থা নেব।' 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।