ব্রেকিং নিউজ

ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান :  পুলিশ পেল না কিছু, র‌্যাব পেল বিপুল মাদক

news-details
ক্রাইম নিউজ

আমাদের প্রতিবেদক

দুদিন আগে (সোমবার) পুলিশের অভিযানে কিছু না পাওয়া গেলেও ঠিক তার দুই দিন পর র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক পাওয়া গেছে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় ফু-ওয়াং ক্লাবে। 

বুধবার রাতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের শিল্পাঞ্চল এলাকায় গুলশান লিংক রোডে অবস্থিত ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান চালায় র‌্যাব। প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে  ক্লাবটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) পরিচালিত অভিযানে ক্লাবটি থেকে নগদ সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। অভিযানে তিন জনকে আটক করা হয়।

 বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ১১টার দিকে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম।

তিনি জানান, রাত ১২টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানে ফু-ওয়াং ক্লাব থেকে নগদ সাত লাখ টাকা, দুই হাজার বোতল বিদেশি মদ, ১০ হাজার ক্যান হান্টার বিয়ার জব্দ করা হয়। এসময় ক্লাবটির তিন কর্মচারী জাহিদ, জোদিয়ার লরি ডি কস্টা ও চঞ্চলকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, জব্দ বিদেশি মদের বোতলের মধ্যে ৩ পার্সেন্ট অবৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে। জব্দ বিয়ারের ৫০ শতাংশও অননুমোদিত।

ক্লাবটি তার সদস্যদের বাইরেও মদ ও মাদকদ্রব্য বিক্রি করতো, যা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনবিরোধী বলে জানান লে. কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম।

এরআগে, বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ক্লাবটিতে প্রবেশ করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ (র‌্যাব) এর সদস্যরা। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট আনিসুর রহমান ও নিজাম উদ্দিন।

প্রসঙ্গত, র‌্যাবের এই অভিযানের টিক ‍দুদিন আগে ফুয়াং ক্লাবে অভিযান চালিয়েছিলো পুলিশ। গত সোমবার বিকেলে পুলিশের তেজগাঁও জোনের ডিসি আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান  হয়। তবে সে দিন সেখানে কোনো কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানান তেজগাঁও জোনের ডিসি আনিসুর রহমান ও ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।

ঐ দিন অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুলাহ আল মামুন বলেছিলেন, ‘ফু-ওয়াং ক্লাবে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ কোনও কিছু পাওয়া যায়নি। এখানে একটি বার রয়েছে, তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওই বারের অনুমতিপত্র (লাইসেন্স) দেখাতে পেরেছে।’

পুলিশের অভিযানের পর ক্লাবটির ম্যানেজার মো. শামীম বিল্লাহ দাবি করেছিলেন, ‘আমি গত ৩ বছর এখানে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বরত আছি। এখানে মদের বার রয়েছে। সেটির লাইসেন্সও আমাদের কাছে আছে। এছাড়া এখানে জিমনেশিয়াম রয়েছে। তবে এখানে কোনও ক্যাসিনো বা জুয়া খেলা হয় না।’

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।