ব্রেকিং নিউজ

উত্তরায় সাংবাদিকের উপর যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলা

news-details
ক্রাইম নিউজ

আমাদের প্রতিবেদক

রাজধানী উত্তরার স্হানীয় সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার প্রতিবেদক ইকবাল হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালান ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম খান ও উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে ৫১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী অহিদুজ্জামান রুমনসহ যুবলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী। এবিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইকবাল। এর পর থেকেই নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন এই যুবলীগ নেতা সেলিম খান। জানাযায় যুবলীগ নেতার উত্তরার অফিসে ডাকা হয় ইকবালকে কিন্তু না গেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবালের উপর হামলা চালায়। এখন জিডি করার জন্য আরো ক্ষিপ্ত হয়েছে সে। এখন নিরাপত্তায় ভুগছেন ভুক্তভুগী।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটার দিকে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টর ১৩ নম্বর ব্রিজের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। টঙ্গী সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। সেখান থেকে পুলিশ কেচের জন্য একটি ছাড়পত্র দেয়া হয় রোগীকে। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্হ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইকবাল উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যার জিডি নম্বর -১২৬৯, তারিখ ১৯.০৯.১৯ ইং। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইকবাল প্রতিদিনের মত বাসা থেকে এসে চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। হঠাৎ যুবলীগ নেতা সেলিম আসলে ইকবাল সালাম দেয়য়। গাড়ি থেকে বলে তুই এলাকার মাস্তান হয়েছিস বলে চর থাপ্পর মারতে শুরু করে। সেলিম মোবাইলে কল দিয়ে যুবলীগের নেতা রুমনকে পোলাপান আনতে বলে। তাদের হাতে হকিস্টিক সহ লাঠিসোঠা ছিলো। তারা প্রায় ১০থেকে ১৫ জন ছিলো। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, সেলিম আর রুমন বারবার বলছিলেন তোর পা ভেঙ্গে ফেলব কতবড় সাংবাদিক হয়েছিস দেখতে চাই বলে পায়ে লাঠি দিয়ে মারতে থাকে। এসময় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের তিন পুলিশ সদস্য উপস্হিত ছিলেন। পুলিশরা বারবার গায়ে হাত দিতে নিষেধ করলে ও শুনেননি তারা। না শুনলে পরে তারা বাধা দেয়। পুলিশ না থাকলে হয়ত পঙ্গু করা হত ইকবাল। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, রুমনের বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমিজমা দখলবাজি, ও ডিবিতে মাদকের মামলা ও রয়েছে। সেলিম ও রুমনের সন্ত্রাসীবাহিনী রয়েছে উত্তরাতে। তাদের দিয়ে উত্তরা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সেলিমের বিরুদ্ধে ও রয়েছে জায়গাদখল চাঁদাবাজি, বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা ও রয়েছে বলে জানাযায়।

এদিকে, জিডি সূত্রে জানাযায়, সেলিম খান তার সঙ্গে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধর করে। এসময় ভুক্তভোগী সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি দেন রুমন ও সেলিম। তাদের সঙ্গে সোহেল, সাব্বিরসহ প্রায় ২০জন সন্ত্রাসীর দল ছিলো। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইকবাল হোসেন বলেন, আমি প্রতিদিনের মত বাসা থেকে বের হয়ে চায়ের দোকানে গিয়ে চা খাচ্ছিলাম। সেলিম ভাই আসলে আমি তাকে সালাম দেয়। সেকোন কারণে আমার উপর রাগ কি না জানিনা। পরে সে গাড়ি থেকে নেমে আমাকে গালিগালাজ করার এক পর্যায়ে চরথাপ্পর মারতে থাকে। পরে কল দিয়ে রুমনকে পোলাপান নিয়ে আসতে বলে। তিনি আরো বলেন, পরে রুমনসহ প্রায় ১০-১৫ জন হকিস্টিক ও লাঠিসোঠা নিয়ে এসে আমাকে মারতে থাকে। পরে আমার চিৎকারে পাশে থাকা পশ্চিম থানার পুলিশ ও জনগন এগিয়ে এসে মারতে নিষেধ করে। জনগন ক্ষিপ্ত হলে ঘটনাস্হল থেকে পালিয়ে যায়। সেলিমের মনে এমন কিছু ছিলো আমি বুঝতে পারিনি।

এবিষয়ে যুবলীগ নেতা রুমনকে কল দিলে সে বলেন, আমি মেরেছি তাতে কি হয়েছে।ও না কি বড় মাস্তান হয়েছে বড়দের সম্মান করে না। ও কত বড় সাংবাদিক হয়েছে। সেটা দেখার জন্য। যুবলীগ নেতা সেলিম খানকে কয়েকবার কল দিলে সে ফোন ধরেননি।

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।