নিরাপদ সড়ক সবার প্রত্যাশা : আইনমন্ত্রী

news-details
জাতীয়

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।। 

শুধু আইন প্রয়োগ করেই সড়কের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে না। এটি প্রয়োগ করতে পারলে সড়কে দুর্ঘটনা কমবে এবং শৃংখলা ফিরে আসবে। পাশাপাশি আমাদেরও সচেতন হতে হবে। নিরাপদ সড়ক আমাদের সবার প্রত্যাশা।

রবিবার দুপুর ১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে একটি গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এ মন্তব্য করেন।

নিরাপদ সড়ক: আইনের প্রয়োগ ও জনসচেতনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটির আয়োজন করে জাগো বাংলা ফাউন্ডেশন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে নতুন নতুন সড়ক বানানো হচ্ছে। কিন্তু সড়কে দুর্ঘটনা কমেনি। সড়কগুলোকে নিরাপদ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করা হচ্ছে। এটি প্রয়োগ করতে পারলে সড়কে দুর্ঘটনা কমবে এবং শৃংখলা ফিরে আসবে। পাশাপাশি আমাদেরও সচেতন হতে হবে। গাড়ির ফিটনেস থাকতে হবে। পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে হবে। মিডিয়া কর্মীদেরকেও সড়কে নিরাপত্তার বিষয়ে ভূমিকা রাখতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনারোধে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা কি হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে একই অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি অ্যাডভোকেট ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, সব ধর্মের মূল বাক্য প্রায় একই। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে সমাজের অনেক কিছুই ভালো হবে। যেমন শোনা যায় অনেক গাড়িচালক মাদক গ্রহণ করে ড্রাইভ করেন, যদি ধর্মের কথা অনুযায়ী মাদক সেবন না করেন তাহলে চালক ভালো মতো গাড়ি চালাতে পারবে। তখন দুর্ঘটনা কমে যাবে। পাশাপাশি গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, গাড়ির তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ দক্ষ গাড়িচালকের স্বল্পতা রয়েছে আমাদের দেশে। আমরা ১৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি নিয়মিত। তাদের স্বল্পতার দায় শুধু সরকারের একার নয়। এজন্য বাস মালিকদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে। দায়িত্ব নিতে চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে।

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।