ব্রেকিং নিউজ

ঈর্ষান্বিত হয়ে জিটিএস ক্যাবলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে অভিযোগ

news-details
জাতীয়

আমাদের প্রতিবেদক

ঈর্ষান্বিত হয়ে জিটিএস ক্যাবল নেটওয়ার্কস এর বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য সরবরাহ করছে লুক মিডিয়া নেটওয়ার্ক মালিক মোঃ হারুন ও তার স্ত্রী ফারজানা জাহান জুঁই।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন জিটিএস ক্যাবল নেটওয়ার্কস এর অন্যতম অণ্যতম অংশীদার আমির বক্স মন্ডল।

আমির বক্স মন্ডল বলেন, তিনি ২০০৬ সাল থেকে ওয়ারী, মতিঝিল, টিকাটুলি, গোপীবাগ এলাকায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের  (বিটিভি) লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে ওই এলাকার ফুয়াদ ফয়সালের সাথে যৌথভাবে জি এস ক্যাবল নেটওয়ার্কস নামে ডিস ব্যবসা সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসা পরিচালনার কারণে এলাকার সকলের সাথে তার সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।  গ্রাহকদের পর্যাপ্ত  সুযোগ সুবিধা প্রদানের এরই মধ্যে জি এস ক্যাবল নেটওয়ার্কস সকলের আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। একই এলাকার হারুন লুক মিডিয়া নেটওয়ার্ক নামে একই ব্যবসা ছিল যা বাংলাদেশ টেলিভিশন তথ্য গোপনের কারণে ২০১৫ সালে তার লাইসেন্স স্থগিত করে। সম্প্রতি আমাদের প্রতিষ্ঠানের সেবায় মানের কাছে তার প্রতিষ্টিান পিছিয়ে পড়ে এবং এলাকার মানুষ ভালো সেবায় আশায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে থাকে। এসব কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার এবং আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য সরবরাহ করেছে, যা আমার এবং আমাদেও প্রতিষ্টানের দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। 

গত ১২ অক্টোবর লুক মিডিয়া নেটওয়ার্ক এর মালিক হারুনের স্ত্রী ফারজানা জাহান জুঁই সংবাদ সম্মেলনে করে লুক মিডিয়া নেটওয়ার্ক কেবল ব্যবসা দখলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলনের আমির বক্স মন্ডল বলেন, হারুন তার ও স্ত্রীর অভিযোগ করেছেন সেখানে অনেক বানোয়াট ও অসত্য তথ্য সরবরাহ করেছেন। তিনি যে ডিশ ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন সেটি অতীতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ছিলো। তবে সাম্প্রতি সময়ে অসত্য তথ্য সরবরাহ এবং প্রকৃত তথ্য গোপন করার অপরাধে সরকার  সেই লাইসেন্স স্থগিত করে। লাইসেন্স স্থগিতের ফলে হারুনের লুক মিডিয়ার ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে স্থানীয় গ্রাহকরা লুক মিডিয়া বর্জন করে আমাদের সাথে যুক্তিবদ্ধ হতে থাকে। 

আমির বক্স মন্ডল বলেন, লুক মিডিয়ার মালিক হারুন মিয়া এবং তার স্ত্রী ফারজানা জাহান জুই এর ডিশ ব্যবসার থাকাকালীন সময়ে ব্যবসায়ী এ স্থানীয় পর্যায়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং চাঁদাবাজি পরিচালনা করতেন। হারুনের বিরুদ্ধে হত্যা, মানবপাচার ও নারী নির্যাতন মামলার আসামি । তার বিরুদ্ধে মতিঝিলসহ বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। এলাকায় গড়ে তুলেছে পেটোয়া বাহিনী। এদের মাধ্যমে স্থানীয় ডিস ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে ওই ব্যবসা নিজেরা আয়ত্বে নিতে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাদেরকে হত্যার হুমকি ধামকি দেয়।  তাদের অপকর্মের হাত থেকে রেহাই পেতে স্থানীয়রা মতিঝিল, ওয়ারি থানায় অভিযোগ করেছেন।

আমির বক্স মন্ডল আরো বলেন, আমাদের ব্যবসা বন্ধের জন্য হারুন ও তার স্ত্রী জুঁই নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি তাঁর স্ত্রী জুঁই আমাকেও গ্রাহকদের নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন। তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। 
 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।