ব্রেকিং নিউজ

অপহরণের ৩২ দিন পর অপহৃতা কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার

news-details
দেশজুড়ে

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

অপহরনের ৩২ দিনের মাথায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী মোসাঃ ফাতেমা আক্তার (১৮)কে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ উপজেলার বার্থী এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত ও কলেজ ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহনের জন্য গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অপহৃতার পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার উত্তর বাউরগাতি গ্রামের সৈয়দ মোঃ ফজলুল হকের মেয়ে, বার্থী ডিগ্রী কলেজ থেকে সদ্য এইচ,এস,সি পাসকৃত ছাত্রী মোসাঃ ফাতেমা আক্তার (১৮) গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে তাদের বাড়ির কাছের উত্তর বাউরগাতি বাজারের দোকান থেকে খাবার কিনে বাড়িতে ফিরছিল। পথিমধ্যে বাড়ির পার্শ্ববর্তি পাঁকা রাস্তার পাশে ওৎ পেতে থাকা বার্থী ডিগ্রী কলেজের গনিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও পার্শ্ববর্তি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল গ্রামের বাসিন্ধা ললিত চন্দ্র চৌধুরী’র ছেলে বখাটে দিপক কুমার চৌধুরী (২৩) ও তার অজ্ঞাতনামা ১/২ জন সহযোগী মিলে ফাতেমার পথ রোধ করে তাকে জোর পূর্বক একটি মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর অপহৃতার স্বজনরা অপহরণকারীর হাত থেকে তাকে উদ্ধারের জন্য নানা ভাবে প্রচেষ্টা চালায়। এতে ব্যার্থ হয়ে অপহরনের ২২ দিন পর গত ১৮ অক্টোবর অপহৃতা’র বাবা সৈয়দ মোঃ ফজলুল হক বাদি হয়ে বখাটে দিপক কুমার চৌধুরী (২৩) ও তার বাবা ললিত চন্দ্র চৌধুরীসহ অজ্ঞাতনামা ১/২ জনকে আসামী করে গৌরনদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর পর থানা পুলিশের অব্যাহত চাঁপের মুখে ভিকটিম ফাতেমা আক্তারকে রাজধানী ঢাকা থেকে একটি বাসযোগে এনে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বার্থী বাসষ্ট্যান্ডে নামিয়ে দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে অপহৃতা ফাতেমা আক্তারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ গোলাম সরোয়ার জানান, ওই মামলার তদন্তভার ন্যান্ত করা হয় থানার এসআই মোঃ আনিচুর রহমানের ওপর। তার তৎপরতায় আসামীপক্ষ ভিকটিমকে পুলিশের কাছে সারেন্ডার করাতে বাধ্য হয়।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।