ব্রেকিং নিউজ

ফায়ার সার্ভিসৈর কাছে তিনটি ফায়ার কুশন হস্তান্তর প্রধানমন্ত্রীর

news-details
জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট

অগ্নি দুর্ঘটনার সময় উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য জার্মানীর তৈরী অত্যাধুনিক তিনটি অগ্নি নিরোধক জাম্বু কুশন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো.সাজ্জাদ হোসেনের হাতে এগুলো তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বাসস।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ইহসানুল বলেন, অগ্নি দুর্ঘটনায় উদ্ধার অভিযানকালে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বজায় রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এই অগ্নি নিরোধক কুশনগুলো ফাইবারগ্লাস দ্বারা তৈরী এবং এক মিনিটে এগুলো ব্যবহার উপযোগী করা যায়।

তিনি বলেন, প্রতিটি কুশনের মূল্য পড়েছে ৫০ লাখ টাকা। প্রতিটির ওজন ৮০ কেজি। এটি ক্রয়ে অর্থায়ন করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল)। এই কুশনগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী এবং কম্পন ও শোষণ ছড়িয়ে পড়া ছাড়াই যেকোন বিপজ্জনক পণ্য পরিবহনে সক্ষম।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহীদুজ্জামান ফায়ার সার্ভিস বিভাগের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। তিনি উদ্ধার অভিযানকালে ফায়ার সার্ভিসের কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

শহীদুজ্জামান বলেন, ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৪১১টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে, ২০০৮ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৩টি।

পাশাপাশি দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ফায়ার স্টেশন তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে আরো ১৫৬টি ফায়ার স্টেশন নির্মিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মধ্যে ৪৭টির কার্যক্রম চলছে। ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিভিশন বিভাগের জনবল ২০০৮ সালের ৬,১৭৫ জন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২,২৯৬জন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।