কেরানী থেকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক আবদুস সালাম

news-details
ফিচার

এম এ রকিঃ মৌলিক চাহিদার অন্যতম স্বাস্থ্য। সাস্থ্য খাতে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমান ভর্তুকি দেয়। কিন্তু তা জনগণের কাছে পৌছানো আগেই কিছু কর্মকর্তা যোগসাজশে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করছেন। আব্দুস সালাম গং ....

এম এ রকিঃ মৌলিক চাহিদার অন্যতম স্বাস্থ্য। সাস্থ্য খাতে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমান ভর্তুকি দেয়। কিন্তু তা জনগণের কাছে পৌছানো আগেই কিছু কর্মকর্তা যোগসাজশে সিন্ডিকেট করে লুটপাট করছেন। আব্দুস সালাম গং দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোতে  লুটপাট করছে। চাকুরীবিধি ভঙ্গ করে অবৈধ অর্থ উপায়ে অর্জিত সম্পদের প্রভাবে কেরানী থেকে অলৌকিক ক্ষমতাবলে পরিচালক হয়েছেন।  বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কঠোর অবস্থান নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু এত কিছুর পরও সরকারি দপ্তরগুলোতে দুর্নীতি যেন থামানো যাচ্ছে না।


স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক আবদুস সালামের দুর্নীতির কাছে অসহায় নিজ দপ্তরের কর্মরতরা। সরকারি এ প্রতিষ্ঠানের কর্মরতরা আবদুস সালামের দুর্নীতি ও প্রতারণায় অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবস্থা চেয়ে অভিযোগ করেছেন দুদকে ও প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্তাদের কাছে। গত ০৮ মে ১৮ দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
 অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোতে অফিস সহকারী হিসেবে যোগ দেয়া আবদুস সালাম রহস্যজনকভাবে পরিচালক পদে পদোন্নতি নেন। এর পর থেকে তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তার দুর্নীতি ও প্রতারণায় অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কগ্রস্থ স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

আবদুস সালাম স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক পদে যোগ দেয়ার পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি নামে বেনামে ট্রেড লাইসেন্স করে অবৈধ ব্যবসার মাধমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এমনকি স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর টেন্ডারগুলো নিজস্ব সিন্ডিকেটের ঠিকাদারদের মধ্যে ভাগ করে দিয়ে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এমনকি অনেক টেন্ডার তিনি নিজের নামে বেনামের প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্ধ দিয়ে বিপুল পরিমানের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
অবৈধভাবে পদোন্নতি পাওয়া স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর এই পরিচালককে সরকারি এই দপ্তরের দুর্নীতির গুরু ঠাকুর হিসেবেই জানেন কর্মরতরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন, রহস্যজনক ভাবে আবদুস সালামকে অফিস সহকারী থেকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। যদিও তিনি এ পদেও যোগ্য নন। পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর থেকে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, প্রতারণায় বেপরোয়া হয়ে উঠেন। স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক আবদুস সালামের এসব দুর্নীতির বিষয়ে জানতে টেলিফোনে বেশ কয়েকবার তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেন নি।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

If you want to comment please Login. If you are not registered then please Register First