ব্রেকিং নিউজ

আজ থেকেই শহীদ মিনার চত্বরে চার স্তরের নিরাপত্তা

news-details
জাতীয়

আমাদের প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আজ বুধবার থেকেই শহীদ মিনার চত্বরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। 

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান তিনি।

কমিশনার বলেন, শহীদ মিনারের বেদী কেন্দ্রীক প্রথম স্তর, শহীদ মিনারের বাইরে দ্বিতীয় স্তর, দোয়েল চত্বর-শাহবাগ-নীলক্ষেত-পলাশী-বকশীবাজার কেন্দ্রীক তৃতীয় স্তর ও এর বাইরে আরেক স্তর। এর মাধ্যমে শহীদ মিনারকে ঘিরে মোট চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

একুশে ফেব্রুয়ারির আগের দিন ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা হতে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ভেতরে সব ধরনের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও ডাইভারশন ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট স্থানে ব্যানার, দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড স্থাপন করা এবং ডাইভারশন ব্যবস্থা।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা সবাইকে আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে মূল বেদীতে প্রবেশ করতে হবে। এছাড়া ম্যানুয়ালি ও হ্যান্ডমেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। সিসিটিভিগুলো কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। কোথাও সমস্যা মনে হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান জিএমপি কমিশনার।

নিরাপত্তার বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারের পুরো এলাকা ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। শহীদ মিনারের চারপাশে ডিএমপির ওয়াচ টাওয়ার থাকবে, যেখান থেকে সার্বক্ষণিক পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত গাড়ি প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপনে কোনও হুমকি আছে কিনা জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনকে ঘিরে কোনও সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সোয়াট টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন, এদিন বিএনসিসি রোভার রেঞ্জার্স মিলিয়ে মোট ৯শ স্বেচ্ছাসেবক পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। এ পুরো নিরাপত্তার বিষয় তদারকি করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম।

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।