ব্রেকিং নিউজ

৯ মার্চ ভাসানীর ভাষণ জাতির অন্তরে বিপুল শক্তির জন্ম দেয় : ন্যাপ মহাসচিব

news-details
রাজনীতি

আমাদের প্রতিবেদক

১৯৭১'র ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর ৯মার্চ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর বক্তব্য সমগ্র জাতিকে সংগ্রামী ও বিপ্লবী আগুনে পুড়িয়ে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে পৌঁছে দেয়, জাতির মাঝে রাষ্ট্রের অনিবার্যতা স্পষ্ট হয়, জাতির অন্তরে বিপুল শক্তির জন্ম দেয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

তিনি বলেন, ৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর ভাষনের পর প্রধান দুই নেতা একসঙ্গে একই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, তখন স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না। যদিও আজ ইতিহাস থেকে তা মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে অব্যাহতভাবে।  

সোমবার (৯ মার্চ) নয়াপল্টনে যাদু মিয়া মিলনায়তনে ‘৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর বক্তব্যের স্মরণে’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, দুই নেতার ভাষণ মুক্তি সংগ্রামের মৌলিক স্বাক্ষর। ২-৩-৭-৯-২৩-২৬ মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। এগুলোর কোনটিই ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আর এই ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হলে ইতিহাস বিকৃতি হতে বাধ্য। মনে রাখতে হবে, মওলানা ভাসানীর ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস অসম্পূর্ণ। 

তিনি আরো বলেন, সত্য কখনো পরিবর্তিত হয় না, সত্য কখনো মরে না।  একদিন আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক রাজনৈতিক বিপ্লব ঘটবে-তখন সর্বত্র শোনা যাবে মুক্তি ও সত্যের বাণী।

‘সাড়ে সাত কোটি বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না’ এই কথাগুলো ছিল দূরদর্শী মওলানা ভাসানীর ৯ মার্চের ভাষনে উল্লেখ করে ন্যাপ মহাসচিব বলেন, সাত কোটি মানুষকে নিয়ে করা এই অবশ্যম্ভাবী ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছিল মাত্র নয় মাসের রক্তিক্ষয়ি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে।  

তিনি বলেন, কিছু মানুষ শুধু স্বপ্ন দেখাতে নয়, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকেন। মওলানা ভাসানী সেই মাপের একজন মানুষ ছিলেন। মওলানা ভাসানীর মুক্তিযুদ্ধে অবদান সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। শুধু দিবস কেন্দ্রিক স্মরণ না করে তার চেতনাকে লালন করে সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ি এই হোক প্রত্যয়।

ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া'র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ জাসদ নেতা মো. শাহাবুদ্দিন, দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভুইয়া, সনক মজুমদার প্রমুখ।


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।