আ.লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়: প্রধানমন্ত্রী

news-details
জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। আবারও নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখুন। তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই, যাতে করে পুনরায় আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাই।

 

আজ রোববার দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিল বলেই বাংলা ভাষায় কথা বলার সুযোগ পেয়েছে, আজকে স্বাধীনতা পেয়েছে। আর নৌকা যখন ক্ষমতায় আসে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই এলাকা (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) সহ সমগ্র বাংলাদেশ তিনি ঘুরে দেখেছেন দরিদ্র মানুষ, মানুষের দুর্দশা এবং হাহাকারের করুণ চিত্র। এইসব এলাকায় ছিল মঙ্গা। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে ২০০৮ সালে আর ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছে। সে থেকে এ পর্যন্ত আল্লাহর রহমতে কোনো মঙ্গা হয়নি। খাবারের কোনো কষ্ট হয়নি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ফসল উৎপাদন হচ্ছে, খাবারের ব্যবস্থা আমরা করতে পেরেছি। আগামীতে আমাদের সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, ‘একটি মানুষও অনাহারে থাকবে না। কারণ গৃহায়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি। প্রতিটি মানুষ যাতে চিকিৎসা পায়, সে জন্য আমরা কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি। সেখান থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ ৩০ প্রকারের ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বয়স্ক এবং বিধবা-ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা দিচ্ছি, যাতে করে কোনো মা-বোন কোনো ধরনের দুর্গতিতে পড়লে তাঁকে যেন কষ্ট করতে না হয়। এ সময় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পুল, ব্রিজ, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং যেসব স্থানে বিদ্যুতের লাইন নেই, সেখানে সোলার প্যানেল করে দিয়ে দেশের ৯৩ শতাংশ ঘর আলোকিত করার সরকারের সাফল্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরো রংপুর এলাকা দুর্ভিক্ষপীড়িত ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকে সেই দুর্দিন চলে গেছে। আজকে সুদিন এসে গেছে। এখন আর মঙ্গা ও দুর্ভিক্ষ নেই। প্রত্যেক মানুষের খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান—সবকিছুর ব্যবস্থাই আওয়ামী লীগ সরকার করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তাঁর সরকার প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করে দিচ্ছে, সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ কাম কালচারাল সেন্টারের আওতায় প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক মসজিদ নির্মাণ করা হবে, প্রতিটি এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর এবং উত্তরা ইপিজেডও আমরা করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য, আপনারা ভালো থাকবেন, দুবেলা পেট ভরে ভাত খাবেন, ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখবে, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

If you want to comment please Login. If you are not registered then please Register First