ব্রেকিং নিউজ

জঙ্গিদের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

news-details
জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট :

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জঙ্গি হামলার আশঙ্কাকে সামনে রেখে ঈদুল আজহায় পুলিশ, র‌্যাবসহ নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ঈদুল আজহার নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। ইতিমধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কূটনৈতিক এলাকা ও ধর্মীয় উৎসব স্থলসহ সব জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক হয়ে কাজ করছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঈদকে সামনে রেখে জঙ্গি হামলার আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে সেক্ষেত্রে সরকার কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‌‘জঙ্গিদের উত্থানের প্রচেষ্টা ছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের আর্বিভাব হয়েছিল। দেশকে সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য বানানো, অকার্যকর বানানোর একটা প্রচেষ্টা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা বহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। জঙ্গি তৎপরতা ও সন্ত্রাস তেকে দেশ রেহাই পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জঙ্গি তৎপরতা একদম নির্মুল করতে না পারলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ছোট ছোট স্লিপিং সেল এখনও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে পারে।  সেগুলোর কার্যকারিতা তেমন কিছু নেই। মাঝে মধ্যে তাদের উপস্থিতি বোঝাবার জন্য তারা কিছু কিছু ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে। তবে সেগুলো আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব যথার্থভাবেই দমন করছে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি তৎপরতা সম্পর্কে মাঝে মধ্যে গোয়েন্দারা জানিয়ে থাকেন। সে প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা বাহিনী যা যা পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেগুলো করছে। পুলিশ, র‌্যাব সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সব সময় তারা (জঙ্গি) চিন্তা করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তারাই-করবে, সেখানেও রয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা জঙ্গি তৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের বিশৃঙ্খলা করার সক্ষমতা ও দক্ষতা নেই। তাছাড়া দেশের মানুষ জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন না। তাদের সম্পর্কে সব সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আবহিত করছেন। যে কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গি দমনে সফল হতে পারছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘যারা ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা অনেক সময় দুঃস্বপ্ন দেখে। সে বিষয়ে তারা অনেক ধরনের জল্পনা-কল্পনা করে- সে বিষয়ে কিছু অংশ গোয়েন্দা সংস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এসব মারাত্মক কিছু নয়। তারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। যেসব বার্তাগুলো আসছে তা নিছকই জানান দেয়ার জন্য।’

হাসপাতালে অভিযান বন্ধ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘অভিযান বন্ধ হয়নি। যারা করোনার ভুয়া সনদ তৈরি করবে তাদের ধরা হবে। তথ্য ভিত্তিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ যাতে হয়রানি না হয সেই নির্দেশনা বাস্তবাযন হচ্ছে।’

অপর এক প্রশ্নর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রয়েছেন জেল কোড অনুযায়ী সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে, এরমধ্যে আইন পরিবর্তন হয়েছে। এক বছরে কতদিন জেল খাটলে বছর পূর্ণ হয় সেই হিসাব করে যাদের ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২২ বছরে জেলখানার ৩০ বছর পূর্ণ হয়।’

তিনি আরও জানান, ৩০ বছর সাজা খাটা এক হাজার ৬০০ এর বেশি কয়েদির একটা তালিকা দিয়েছিলেন জেল কর্তৃপক্ষ। ৫-৭ বছরের মধ্যে ছাড়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্দেশনা রয়েছে- ধর্ষক ও নৃশংস খুনি যাতে না ছাড়া হয়। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করে তালিকাগুলো অধিকতর যাচাই করে এখন ৩৬৮ আনা হয়েছে। এদের মুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। -সমকাল

 

 


 

You can share this post on
Facebook

0 মন্তব্য

মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন ।